বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের কমিটি ঘোষণা: সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে ঈশ্বরদী কৃতি সন্তান ইঞ্জিঃ আব্দুল আলিম নির্বাচিত

প্রকাশিত: ৪:০০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০১৯ প্রিন্ট করুন

মোঃশামীম উদ্দিন, (ঈশ্বরদী)পাবনা: মৎস্যজীবী লীগের প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মেলন শেষে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আজগর নস্কর এবং কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল আলম মানিক। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান পাবনা-৪(ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের মাটি ও মানুষের নেতা এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি সাবেক ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুল আলিম।

এছাড়া সহ সভাপতি পদে ৫ জনের নাম ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। এরমধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এরা হলেন: আবুল বাসার, আবদুল গফুর, মুহাম্মদ আলম, নূরে আলম রহু এবং নাসরিন সুলতানা।

এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ০১.ইনিজনিয়ার আবদুল আলিম, ০২.টিপু সুলতান, ৩.রফিকুল ইসলাম রফিক।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন: শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। কিন্ত এখানে মনে হচ্ছে এই সংগঠনে কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধি পিছনে পড়ে আছে।

ঢাকায় বসে যারা নেতৃত্ব করেন, তারা মঞ্চ দখল করে আছেন, এটা কিন্তু ঠিক নয়, এভাবে সংগঠন টিকবে না। সত্যিকারে যারা মৎস্যজীবী তারা প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, এ ধরনের লীগ করার, এ ধরনের দোকান খোলার কোনো প্রয়োজন নেই।

মৎস্যজীবী লীগে সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। কোনো চাঁদাবাজের দোকান আমরা খুলতে চাই না। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কেনো সম্পর্ক নেই, ঢাকায় বসে কার্ড বানিয়ে জায়গায়-জায়গায় গিয়ে চাঁদাবাজী করবে এমন নেতার দরকার নেই।

তিনি আরও বলেন: কাজেই এবার সবাইকে সাবধান থাকতে হবে, মাদক-সন্ত্রাস, জমি দখলের সঙ্গে, চাঁদাবাদের সঙ্গে জড়িতরা এ সংগঠনে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্ট ভাবে বলে দিতে চাই, মৎস্যজীবীর নামে যারা মৎস্যজীবীর ওপরে ক্ষমতার দাপট দেখাবে তাদেরকে আমরা নেতৃত্বে রাখবো না।

এরপরই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী তিন পদ সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদের জন্য প্রস্তাবনা আহ্বান করেন। সেখানে সভাপতি পদে ৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৮ জনের নামের প্রস্তাব আসে।

এরপর প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিজের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শে মৎস্যজীবী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন।