ইজতেমায় খিত্তাওয়ারী যেভাবে অবস্থান নেবেন মুসুল্লিরা

প্রকাশিত: ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৯, ২০২০ প্রিন্ট করুন

মহানগর বার্তা,গাজীপুরঃ টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে ১০ জানুয়ারি শুক্রবার তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে। প্রথম পর্বে দেশের ৬৪ জেলার মুসল্লিদের জন্য ইজতেমা ময়দানকে ৮৭টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে।

তবে ইজতেমা   ময়দানে খিত্তা করা হয়েছে ৯২টি। বাকি খিত্তাগুলো সংরক্ষিত। কোনো জেলার মুসল্লি বেশি হলে অথবা মাদ্রাসাছাত্রদের জন্য সংরক্ষিত খিত্তাগুলো রাখা হয়েছে।

প্রথম পর্বে মুসল্লিরা খিত্তাওয়ারী যেভাবে অবস্থান নেবেন তা হলো- ১ নং খিত্তায় গাজীপুর, ২ নং খিত্তায় টঙ্গী-১, ৩ নং খিত্তায় টঙ্গী-২, ৪ নং খিত্তায় টঙ্গী-৩, ৫ নং খিত্তায় মিরপুর-১, ৬ নং খিত্তায় মিরপুর-২, ৭ নং খিত্তায় সাভার-১, ৮ নং খিত্তায় সাভার-২, ৯ নং খিত্তায় মোহাম্মদপুর, ১০ নং খিত্তায় কারকরাইল-৩, ১১ নং খিত্তায় কেরানীগঞ্জ-১, ১২ নং খিত্তায় কেরানীগঞ্জ-২, ১৩ নং খিত্তায় কাকরাইল-১, ১৪ নং খিত্তায় কাকরাইল-২, ১৫ (ক) খিত্তায় ডেমরা, ১৫ (খ) নং খিত্তা (সংরক্ষিত খিত্তা), ১৬ নং খিত্তায় কাকরাইল-৪, ১৭ নং খিত্তায় কাকরাইল-৫, ১৮ নং খিত্তায় কাকরাইল-৬, ১৯ নং খিত্তায় কাকরাইল-৭, ২০ নং খিত্তায় রাজশাহী, ২১ নং খিত্তায় নওগাঁ, ২২ নং খিত্তায় নাটোর, ২৩ নং খিত্তায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ২৪ নং খিত্তায় যাত্রাবাড়ী-২, ২৫ নং খিত্তায় যাত্রাবাড়ী-১, ২৬ নং খিত্তায় সিরাজগঞ্জ, ২৭ নং খিত্তায় দোহার, ২৮ নং খিত্তায় নবাবগঞ্জ, ২৯ নং খিত্তায় মানিকগঞ্জ, ৩০ নং খিত্তায় টাঙ্গাইল, ৩১ নং খিত্তায় নড়াইল, ৩২ নং খিত্তায় ধামরাই, ৩৩ নং খিত্তায় রংপুর, ৩৪ নং খিত্তায় নীলফামারী, ৩৫ নং খিত্তায় কুড়িগ্রাম, ৩৬ নং খিত্তায় লালমনিরহাট, ৩৭ নং খিত্তায় গাইবান্ধা, ৩৮ নং খিত্তায় মুন্সীগঞ্জ, ৩৯ নং খিত্তায় মাগুরা, ৪০ নং খিত্তায় ঝিনাইদহ, ৪১ নং খিত্তায় বগুড়া, ৪২ নং খিত্তায় নারায়ণগঞ্জ, ৪৩নং খিত্তায় ফরিদপুর, ৪৪ নং খিত্তায় যশোর, ৪৫ নং খিত্তায় সাতক্ষীরা, ৪৬ নং খিত্তায় বাগেরহাট, ৪৭ নং খিত্তায় নরসিংদী, ৪৮ নং খিত্তায় ভোলা, ৪৯ নং খিত্তায় জামালপুর, ৫০ নং খিত্তায় ময়মনসিংহ-১, ৫১ নং খিত্তায় ময়মনসিংহ-২, ৫২ নং খিত্তায় মেহেরপুর, ৫৩ নং খিত্তায় চুয়াডাঙ্গা, ৫৪ নং খিত্তায় নেত্রকোনা, ৫৫ নং খিত্তায় কিশোরগঞ্জ, ৫৬ নং খিত্তায় গোপালগঞ্জ, ৫৭ নং খিত্তায় বরিশাল, ৫৮ নং খিত্তায় রাজবাড়ি, ৫৯ নং খিত্তায় শেরপুর, ৬০ নং খিত্তায় শরিয়তপুর, ৬১ নং খিত্তায় মাদারীপুর, ৬২ নং খিত্তায় সিলেট, ৬৩ নং খিত্তায় কক্সবাজার, ৬৪ নং খিত্তায় রাঙ্গামাটি, ৬৫ নং খিত্তায় খাগরাছড়ি, ৬৬ নং খিত্তায় বান্দরবান, ৬৭ নং খিত্তায় ফেনী, ৬৮ নং খিত্তায় নোয়াখালী, ৬৯ নং খিত্তায় লক্ষীপুর, ৭০ নং খিত্তায় চাঁদপুর, ৭১ নং খিত্তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৭২ নং খিত্তায় খুলনা, ৭৩ নং খিত্তায় পটুয়াখালী, ৭৪ নং খিত্তায় বরগুনা, ৭৫ নং খিত্তায় চট্টগ্রাম, ৭৬ নং খিত্তায় কুমিল্লা, ৭৭ নং খিত্তায় পিরোজপুর, ৭৮ নং খিত্তায় ঝালকাঠি, ৭৯ নং খিত্তায় সুনামগঞ্জ, ৮০ নং খিত্তায় হবিগঞ্জ, ৮১ নং খিত্তায় মৌলভীবাজার, ৮২ নং খিত্তায় পাবনা, ৮৩ নং খিত্তায় ঠাকুরগাঁও, ৮৪ নং খিত্তায় পঞ্চগড়, ৮৫ নং খিত্তায় দিনাজপুর, ৮৬ নং খিত্তায় জয়পুরহাট এবং ৮৭ নং খিত্তায় কুষ্টিয়া। ৮৮ নম্বর থেকে ৯২ নম্বর খিত্তা সংরক্ষিত থাকবে।

বিশ্ব ইজতেমার ময়দানের মুরব্বি ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান জানান, ময়দানকে মোট ৯২টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। এবার দেশের ৬৪ জেলার মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। তাদের জন্য ৮৭টি খিত্তা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাঁচটি খিত্ত সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। কোনো জেলার মুসল্লি বেশি হলে অথবা মাদ্রাসাছাত্রদের ওই সংরক্ষিত খিত্তাগুলোতে দেয়া হবে।

এছাড়া, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে দেশের মুসল্লিদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেবেন। বিদেশি মেহমানদের জন্য বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের উত্তর-পশ্চিম পাশে নিবাস তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ‌্য, আগামী ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে মাওলানা জুবায়েরের অনুসারী মুসল্লিগণ অংশ নেবেন। ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ পর্ব। পরে চার দিন বিরতি দিয়ে ১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত হবে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা। এতে মাওলানা সা’দের অনুসারী মুসল্লিগণ অংশ নেবেন।