ঢাকা, ১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

উচ্চ শব্দে গান বাজনায় অতিষ্ট ঈশ্বরদীর সাধারণ মানুষ।

বার্তা

বিভাগ

প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২০
প্রিন্ট করুন

মোঃশামীম উদ্দিন( ঈশ্বরদী)- ঈশ্বরদী উপজেলার গ্রাম, পাড়া মহল্লায় রাতের বেলার উচ্চ শব্দে মাইক এবং ডিজে গান বাজনার কারনে মানুষের বিরক্তি ও যন্ত্রণা বেড়েই চলেছে। দিন দিন শব্দ দূষন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে যা ভয়ংকর হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন বিয়ে, জন্মদিন সহ যে কোন অকশনে রাতে উচ্চ শব্দে এলাকা কাঁপিয়ে গান বাজানো নতুন একটা ফ্যাশন হয়ে দাড়িয়েছে। উচ্চ শব্দে গান বাজানোর ফলে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ, হৃদরোগে যারা আক্রান্ত তাদের পড়তে হচ্ছে চরম বিপাকে।গভীর রাত পর্যন্ত গান বাজানো রীতিমতো একটা অত্যাচারে পরিনত হয়েছে। প্রতিবাদ করতে গেলে ঘটে মারধরের ঘটনা। অথচ শব্দ দূষন প্রতিরোধে রয়েছে আইন, আছে কর্তৃপক্ষ। তবে নেই নজর দারীতা ও আইনের প্রয়োগ। সম্প্রতি শব্দ দূষনের মতো

বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে রাতে উচ্চ শব্দে ডিজে গান বাজিয়ে শব্দ দূষনের পাশাপাশি যুব সমাজ নেশাগ্রস্ত হয়ে পরছে। গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে তারা পদ্যপানে লিপ্ত থাকে। এভাবে চলতে থাকলে একদিন যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। এছাড়া রাতে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর ফলে শিক্ষার্থী সহ বয়স্কদের অনেক সমস্যা হয়। পাশাপাশি শব্দ দূষনে পরিবেশের মারাত্মকভাবে ক্ষতি হয়।।

এসব উচ্চ শব্দের কারনে মানুষ বিরক্ত হলেও কিছুই বলতে পারে না। প্রতিবাদ করার কারনে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। চিকিৎসকরা বলছেন, শব্দ দূষনের ফলে শ্রবন শক্তি কমা ছাড়াও মানুষ উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। তাই উদাসীনতা না হয়ে এ দূষন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। এক তথ্যের মাধ্যমে জানা যায়, বিদ্যমান শব্দ দূষন শিশুদের স্বাস্থ্য ও মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ দূষনে কানে কম শোনা, স্থায়ী মাথাব্যথা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ক্ষুধামন্দা, নিদ্রাহীনতা সহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন বছর বা তার কম বয়সী শিশু যদি খুব কাছ থেকে ৩০ মিনিট ধরে ১০০ ডেসিবেল শব্দ শোনে তাহলে সে শিশুটি চিরতরে শ্রবণশক্তি হারাতে পারে

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শব্দ দূষন দিন দিন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কঠোর হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।
তবে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শব্দ দূষনের কারন ও ক্ষতি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

  • এই বিভাগের সর্বশেষ