ঈশ্বরদীতে গাছে গাছে লিচুর মুকুল চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ

প্রকাশিত: ৬:১৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৮, ২০২০ প্রিন্ট করুন

মোঃশামীম উদ্দিন : ঈশ্বরদীতে গাছে গাছে লিচুর মুকুল। শীত পেরিয়ে প্রকৃতিতে বসন্ত এসে গেছে কদিন হলো। এরই মধ্যে মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে লিচু গাছ। সোনালি হলুদ রঙের লিচু মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণ যে কাউকে মুগ্ধ করবে। মৌমাছির দল ঘুরে বেড়াচ্ছে গুনগুন শব্দে। ছোট পাখিরাও মুকুলে বসছে মনের আনন্দে। এমন দৃশ্যের দেখা মিলেছে উপজেলার ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের লিচু গাছে। দৃশ্যটি যে কাউকেই কাছে টানবে।

গাছে গাছে ফুটছে লিচুর মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ।
বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মন ও প্রাণকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে লিচুর মুকুল।
ছয় ঋতুর এই বাংলাদেশে পাতাঝড়া ষড়ঋতুর রাজা বসন্ত। আবহমান বাংলার সৌন্দয্যের রাজা বলে পরিচিত গ্রীষ্মকাল। শীতের জড়তা কাটিয়ে কোকিলের সুমধুর কুহুতানে মাতাল করতে আবারও ফিরে এলো বাংলার বুক মাতাল করতে ঋতুরাজ বসন্ত। পলাশ ফুটেছে শিমুল ফটেছে। ফালগুনের হাওয়ায় কৃষ্ণচূড়ায় রং লেগেছে। বসন্তের কোকিলের ডাক ছড়িয়ে পড়েছে। বসন্তের ফুলের সমারোহে ছেয়ে গেছে চারদিক। সকলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রকৃতির হাতছানিতে -গ্রামগঞ্জে লিচুর বৈলে মুকুল ভরে উঠেছে। কেড়ে নিয়েছে প্রকৃতি প্রেমীদের মন। গাছে গাছে এসব মুকুল সৌন্দয্যের প্রতীক হয়ে জেগেছে।
বসন্তের আগমনের পূর্বেই লিচুর গাছে মুকুল ফুটতে শুরু করেছে।

গ্রামগঞ্জের যেসব বাড়ির লিচুগাছে মুকুল এসেছে সেসব বাড়ির লোকজন লিচু পাকার পর নিজেরা খেয়ে থাকেন এবং আত্মীয়-স্বজনের মাঝে বিলি করে থাকেন। আর গ্রামের লিচু শহরে বা হাটে বাজারে বিক্রি করে থাকেন।