কাজের চাপে ক্লান্ত হয়ে পড়লেই চলত নির্যাতন

প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২০ প্রিন্ট করুন

আফজাল হোসেন (নিজস্ব প্রতিবেদক): ১৪ বছরের কিশোরী আসমা খাতুন। এই বয়সে দুরন্ত কিশোরীপনায় যার সময় অতিবাহিত করার কথা ছিল সে সুযোগটি হারিয়েছে সে দারিদ্রতার অভিশাপে।

শরীরে অসংখ্য পোড়া ঘাঁয়ের ক্ষতচিহৃ,দীর্ঘ এক বৎসর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কবলে পড়ে কৈশোরীপনা যেন আর অবশিষ্ট নেই। অমানুষিক নির্যাতনের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়েও তার মুখে গত দুদিনেও ফুঁটেনি কোন হাঁসি।

গাজীপুরের শ্রীপুরের ফরিদপুর গ্রামের ইমান আলীর কিশোরী কন্যা আসমাকে রাজধানীতে গৃহকর্মীর কাজে উত্তরার ৩নং সেক্টরের ৭/বি রোডের ৩১ নং বাসায় দিয়েছিলেন তার পরিবার।

বাড়ীর মালিক ফারসিন গার্মেন্টস কারখানার মালিক আবু তাহের। শিল্প কারখানার অবস্থান কিশোরীদের বাড়ীর পাশাপাশি হওয়ায় এই এলাকা থেকে আসমাকে প্রতিমাসে ৫হাজার টাকা বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজে নেন তাহের-শাহজাদী দম্পতি। কথা দিয়েছিলেন মেয়ের মতো করে রাখবেন। সে কথা তারা রাখেননি উপরোন্ত শারীরিক ও মানসিক আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করেছেন আসমাকে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান খান জানান,কিশোরীকে সাথে নিয়ে তার পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ করতে এসেছিল। তবে ঘটনাস্থল রাজধানীর উত্তরা হওয়ায় সেখানের থানায় অভিযোগের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।