তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির আদর্শ,কর্ম, সংগ্রাম, ত্যাগ, আর বিশাল অর্জন মুক্তিযুদ্ধের ফসল বাংলাদেশের সংবিধান। এ সংবিধানের সুফল জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
তিনি আজ সংসদে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী-মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতার জীবন, কর্ম, আদর্শ, দর্শনের ওপর সাধারণ আলোচনায় এ কথা বলেন।
সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৯ নভেম্বর সংসদ কার্যপ্রনালী বিধির ১৪৭ ধারায় জাতির পিতার জীবন, কর্ম, আদর্শ, দর্শনের ওপর আলোচনা করে এ মহান নেতার প্রতি জাতির পক্ষ থেকে সংসদে বিনম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এ প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন। তিনি আজও সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন।
এর আগে আজ সন্ধ্যা ৬টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুর হয়। অধিবেশনের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা শুরু করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সংসদে প্রেসিডেন্সিয়াল বক্সে বসে আলোচনা প্রত্যক্ষ করেন।
অন্যান্যের মধ্যে আজ আলোচনায় অংশ নেন, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের, চিফ হুইপ নূর-ই- আলম চৌধুরী, সরকারি দলের সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক, অধ্যাপক আলী আশরাফ, বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খান, জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ।
আলোচনায় তিনি বলেন, সংবিধানকে সুরক্ষিত ও সমন্বিত রাখার ক্ষেত্রে সবাইকে সদা জাগ্রত ও সচেতন থাকতে হবে। মুজিববর্ষে সংবিধানের সুফল বাংলার সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার করতে হবে।