বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন ১৯ জন

প্রকাশিত: ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২ প্রিন্ট করুন

মহানগর বার্তা,ঢাকাঃ এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া ১৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে এই ১৯ জনসহ ৬১ জেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ১৬২ জন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান।

আর সাধারণ সদস্য পদে ১,৯৮৩ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ৭১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা ইসি সচিবালয়ে তথ্য পাঠিয়েছেন।

তিন পার্বত্য জেলা বাদ দিয়ে ৬১ জেলায় এ ভোট হবে ১৭ অক্টোবর। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ভোট দেবেন এ নির্বাচনে।

নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হলে এসব প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।

নির্দলীয় প্রতীকে জেলা পরিষদের এ নির্বাচন হলেও ক্ষমতাসীন দলের একক প্রার্থীরাই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এগিয়ে থাকবেন বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী থাকা ১৯ জেলা হল- গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝালকাঠি, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী, বরগুনা, বাগেরহাট, ভোলা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরিয়তপুর, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ছিল রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। ১৮ সেপ্টেম্বর বাছাইয়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর।

প্রতিটি জেলা পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট জেলার উপজেলার সংখ্যার সমান সংখ্যক সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত হবেন উপজেলার এক তৃতীয়াংশ, তবে ২ এর কম নয়।

এর আগে ২০১৬ সালের ভোটে পদ সংখ্যা ছিল- প্রতিটি জেলা পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য এবং ৫ জন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত হবে। চলতি বছর সদস্য সংখ্যায় সংশোধনী আনা হয়।

এবার ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের মোট ৬৩ হাজারেরও বেশি নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ভোট দেবেন এ নির্বাচনে।

জেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পর ২০১৬ সালে প্রথম নির্বাচন হয় স্থানীয় সরকারের এ প্রতিষ্ঠানে।